• ১১ চৈত্র ১৪৩২, বুধবার ২৫ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Vijoy Hazare Trophy

খেলার দুনিয়া

Vijoy Hazare Trophy: ‌শেষ ম্যাচে কর্ণাটককে হারিয়েও বিজয় হাজারে থেকে বিদায় বাংলার

আগের ম্যাচে মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে দুরন্ত জয়ে লাইফ লাইন পেয়েছিল বাংলা। এমন একটা সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে কর্ণাটককে হারালে নক আউটের ছাড়পত্র মিলবে। অঙ্কও একটা ছিল। সেক্ষেত্রে বরোদার বিরুদ্ধে তামিলনাডুকে এবং পন্ডিচেরীর বিরুদ্ধে মুম্বইকে জিততে হবে। বাংলা জিতলেও বাকি দুটি অঙ্ক মিলল না। বরোদার কাছে তামিলনাডুর হার বিজয় হাজারে ট্রফির গ্রুপ লিগ থেকেই ছিটকে দিল বাংলাকে। কর্ণাটককে ৪ উইকেটে হারিয়েও শেষরক্ষা হল না। এলিট গ্রুপ বিতে ১২ পয়েন্টে শেষ করল তামিলনাডু, কর্ণাটক, বাংলা ও পন্ডিচেরী। যদি দুটি দল ১২ পয়েন্টে শেষ করত, তাহলে মুখোমুখি ফলাফলের ভিত্তিতে ঠিক হত কোন দল নক আউটে যাবে। কিন্তু ৪টি দল ১২ পয়েন্টে শেষ করায় নেট রান রেট দেখা হয়েছে। নেট রান রেটে সবার ওপরে রয়েছে তামিলনাডু (+১.০৫২)। দ্বিতীয় স্থানে কর্ণাটক (+০.৭৮৯), তৃতীয় স্থানে বাংলা (-০.২৩৫), চতুর্থ স্থানে পন্ডিচেরী (-১.৩৬০)। ফলে এই গ্রুপ থেকে প্রথম ও দ্বিতীয় হয়ে তামিলনাডু ও কর্ণাটক নক আউটের টিকিট পেয়েছে।নক আউটে যাওয়ার জন্য বাংলা ও কর্ণাটকের কাছে এদিনের ম্যাচ খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন কর্ণাটক অধিনায়ক মণীশ পাণ্ডে। শুরুটা তেমন আহামরি হয়নি কর্ণাটকের। ১০.১ ওভারে ৩৫ রানের মধ্যেই ২ উইকেট হারায়। দশম ওভারে রবিকুমার সমর্থকে (১৭) তুলে নিয়ে কর্ণাটককে প্রথম ধাক্কা দেন আকাশ দীপ। পরের ওভারেই কৃষ্ণমূর্তি সিদ্ধার্থকে (১) ফেরার ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি। এরপর রোহন কদম ও অধিনায়ক মণীশ পাণ্ডের জুটি কর্ণাটককে টেনে নিয়ে যায়। ৫৫ বলে ৩৭ রান করে আউট হন রোহন কদম। তাঁকে ফেরান ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি। দলে ১৬১ রানের মাথায় আউট হন মণীশ পাণ্ডে। ৮৫ বলে তিনি করেন ৯০। করুণ নায়ার ২৫ রান করেন। ২৯ বলে অপরাজিত ৩৭ রান করে প্রবীন দুবে কর্ণাটককে ২৫২/৮ রানে পৌঁছে দেন।ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু করেছিল বাংলা। ৭ ওভারেই ৫০ রানে পৌঁছে যায়। এরপরই ধাক্কা। ফিরে যান রনজ্যোৎ সিং খাইরা (৭)। আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি করা অনুষ্টুপ মজুমদার (৮) ব্যর্থ। ৪৮ বলে ৫৮ রান করে আউট হন অভিষেক দাস। এরপর বাংলাকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান অধিনায়ক সুদীপ চ্যাটার্জি ও ঋত্ত্বিক রায় চৌধুরি। ৫৬ বলে ৬৩ রান করে কারিয়াপ্পার বলে আউট হন সুদীপ। ৬২ বলে ৪৯ রান করেন ঋত্ত্বিক রায় চৌধুরি। ২৬ বলে ২২ রান করেন শুভঙ্কর বল। বাংলাকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন শাহবাজ আমেদ (অপরাজিত ২৬) ও ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি (অপরাজিত ১০)। ৪৮.৩ ওভারে ২৫৩/৬ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় বাংলা। জিতেও অবশ্য নক আউটের ছাড়পত্র এল না।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Vijoy Hazare Trophy : ‌‌‌‌মুম্বইকে হারিয়ে বিজয় হাজারের নক আউটের লাইফ লাইন পেল বাংলা

বাংলার টিম ম্যানেজমেন্ট যতই তারুণ্যকে প্রাধান্য দিতে চায় না কেন, অভিজ্ঞতার যে বিকল্প নেই প্রমাণ হয়ে গেল। তামিলনাডুর বিরুদ্ধে ব্যাটিং ব্যর্থতার জন্য ডুবতে হয়েছিল বাংলাকে। মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে মরণবাঁচন ম্যাচে সেই অভিজ্ঞতার দ্বারস্থ হতে হল টিম ম্যানেজমেন্টকে। প্রথম একাদশে ফেরানো হল অনুষ্টুপ মজুমদারকে। তাঁর দুরন্ত ব্যাটিং বিজয় হাজারে ট্রফিতে লাইফ লাইন দিল বাংলাকে। ভিজেডি নিয়মে মুম্বইকে ৬৭ রানে হারিয়ে নক আউট পর্বে যাওয়ার সম্ভাবনা জিইয়ে রাখল বাংলা। শেষ ম্যাচে কর্ণাটককে বড় ব্যবধানে হারালে পরের রাউন্ডের টিকিট মিলতেও পারে সুদীপ চ্যাটার্জিদের। তবে অনেক অঙ্কের সামনে পড়তে হবে বাংলাকে।রবিবার বাংলামুম্বই ম্যাচ দুই দলের কাছেই ছিল ডু অর ডাই। যে দল হারবে, প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে যাবে। এই পরিস্থিতিতে টস জিতে বাংলাকে ব্যাট করতে পাঠায় মুম্বই। মরণবাঁচন ম্যাচে বেশ কয়েকটা পরিবর্তন করেছিল বাংলা। শ্রীবৎস গোস্বামীকে প্রথম একাদশের বাইরে রাখা হয়। তাঁর পরিবর্তে দলে আসেন শুভঙ্কর বল। কাইফ আমেদ, সুমন্ত গুপ্তর বদলে প্রথম একাদশে অনুষ্টুপ মজুমদার ও রনজোৎ সিং খৈরা। এতদিন তাঁকে বসিয়ে রেখে টিম ম্যানেজমেন্ট যে ভুল করেছিল, প্রমাণ করে দিলেন অনুষ্টুপ মজুমদার।শ্রীবৎসর পরিবর্তে এদিন অভিষেক দাসের সঙ্গে ওপেন করতে নেমেছিলেন সুদীপ চ্যাটার্জি। ব্যাটিং অর্ডার বদলেও ছন্দে ফিরতে পারলেন না বাংলার অধিনায়ক। ৫ রান করে মোহিত অবস্তির বলে বোল্ড হন সুদীপ। এরপর ব্যাট হাতে বাইশ গজে আবির্ভাব অনুষ্টুপ মজুমদারের। আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাট করতে থাকেন দুজনেই। ১০ ওভারেই ৮০ রানে পৌঁছে যায় বাংলা। এরপর আবার ধাক্কা। ৩৬ বলে ৩৮ রান করে আউট হন অভিষেক। ব্যাটিং অর্ডারে এগিয়ে আসা ঋত্ত্বিক রায় চৌধুরি (৪) ব্যর্থ। শাহবাজ আমেদকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাকে এগিয়ে নিয়ে যান অনুষ্টুপ। ৫২ বলে ৫০ রান পূর্ণ করেন তিনি। ৩৫.৫ ওভারে ২০০ রানে পৌঁছে যায় বাংলা। ১১০ বলে সেঞ্চুরি করেন অনুষ্টুপ। শেষ পর্যন্ত ১২২ বলে ১১০ রান করে আউট হন তিনি। শাহবাজের সঙ্গে জুটিতে তোলেন ১২৯। এই জুটিই বাংলার বড় রানের ভিত গড়ে দেয়।অনুষ্টুপ আউট হওয়ার পর ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জিকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাকে এগিয়ে নিয়ে যান শাহবাজ। ৯৫ বলে ১০০ রান পূর্ণ করেন তিনি। মোহিত অবস্তিকে ৬ মেরে পরের বলেই আউট হন শাহবাজ (১০৬)। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ৩১৮ রান তোলে বাংলা। ২৭ বলে ৩৩ রান করেন ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি।জয়ের জন্য ৩১৯ রানের লক্ষ্য সহজ ছিল না মুম্বইয়ের সামনে। মুম্বইয়ের ব্যাটিংও তেমন শক্তিশালী নয়। একমাত্র ভরসা সূর্যকুমার যাদব। কিন্তু মুম্বই ব্যাটিংয়ের এই স্তম্ভ ভাল শুরু করেও শেষরক্ষা করতে পারেননি। ৩৪ বলে ৪৯ রান করে তিনি প্রদীপ্ত প্রামানিকের বলে স্টাম্পড হন। তার আগেই আউট হন যশস্বী জয়সোয়াল (১৯) ও আকারশীট গোয়েল (৩৩)। আরমান জাফর করেন ৪৭। ৪১ ওভারে মুম্বই ৮ উইকেটে ২২৩ রান করার পর বৃষ্টির জন্য খেলা বন্ধ হয়ে যায়। ভিজেডি নিয়মে ৬৭ রানে জেতে বাংলা। বাংলার হয়ে প্রদীপ্ত প্রামানিক ৩৩ রানে ৩ উইকেট নেন।

ডিসেম্বর ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Vijoy Hazare Trophy: ‌‌তামিলনাডুর কাছে বিধ্বস্ত, বিজয় হাজারেতে অস্তিত্ব সংকটে বাংলা

সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০ প্রতিযোগিতায় ব্যর্থতা। কোয়ার্টার ফাইনালে কর্ণাটকের কাছে হেরে প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নিতে হযেছিল বাংলাকে। বিজয় হাজারে ট্রফিতে তো আরও খারাপ অবস্থা। গ্রুপ পর্যায়ের বাধা টপকানোই অসম্ভব হয়ে পড়েছে বাংলার কাছে। শনিবার তামিলনাডুর কাছে অস্তিত্ব সংকটে বাংলা। দীনেশ কার্তিকদের কাছে ১৪৬ রানে বিধ্বস্ত হলেন সুদীপ চ্যাটার্জিরা। তরুণ ক্রিকেটারদের নিয়ে সাফল্যের যে স্বপ্ন দেখেছিল বাংলার টিম ম্যানেজমেন্ট, এককথায় সেই স্বপ্ন ধুলিস্যাৎ হয়ে গেল। একদিন আগেই পুদুচেরির কাছে ডাকওয়ার্থ ও লুইস নিয়মে হারের ধাক্কা বাংলা যে কাটিয়ে উঠতে পারেনি, তা পরিস্কার। তাছাড়া প্রথম দুটি ম্যাচে বাংলাকে তেমন কঠিন প্রতিপক্ষর সামনে পড়তে হয়নি। তামিলনাডুর মতো শক্ত প্রতিপক্ষর মুখে পড়ে বাংলার ক্রিকেটের অন্তঃসারশূন্যতা প্রকট হয়ে উঠল। বোঝা গেল বাংলার ক্রিকেট যে তিমিরে ছিল, সেই তিমিরেই রয়েছে।ত্রিবান্দমের গ্রিনফিল্ড স্টেডিয়ামে এদিন টসে জিতে তামিলনাডুকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিল বাংলার অধিনায়ক সুদীপ চ্যাটার্জি। শুরুটা ভাল হয়নি তামিলনাডুর। বাংলার দুই জোরে বোলার মুকেশ কুমার ও আকাশ দীপের আঁটোসাঁটো বোলিংয়ের সামনে সেভাবে আক্রমণাত্মক হয়ে উঠতে পারেননি তামিলনাডুর দুই ওপেনার সাই সুদর্শন ও অধিনায়ক নারায়ন জগদেশন। নবম ওভারের দ্বিতীয় বলে সুদর্শনকে (১২) বোল্ড করেন মুকেশ কুমার। পরের বলেই তুলে নেন ওয়াশিংটন সুন্দরকে (০)। পরপর দুবলে দুটি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় তামিলনাডু। ৫০ রান আসে ১৬ ওভারে। এক ওভার পরেই অধিনায়ক নারায়ন জগদেশনকে (৩১) তুলে নেন শাহবাজ আমেদ। এইসময় মনে হচ্ছিল তামিলনাডুর পক্ষে বড় রান তোলা কঠিন হয়ে যাবে। কিন্তু রুখে দাঁড়ান বাবা ইন্দ্রজিৎ ও দীনেশ কার্তিক। তাঁদের ১০৫ রানের জুটি চাপমুক্ত করে তামিলনাডুকে। ৭৩ বলে ৬৪ রান করে প্রদীপ্ত প্রামানিকের বলে শ্রীবৎসর হাতে ক্যাচ দেন বাবা ইন্দ্রজিৎ। ইন্দ্রজিৎ আউট হলেও মনঃসংযোগ হারাননি দীনেশ কার্তিক। দলকে টেনে নিয়ে যান এই অভিজ্ঞ উইকেটকিপারব্যাটার। শেষ পর্যন্ত ৯৫ বলে ৮৭ রান করে আকাশ দীপের বলে শ্রীবৎসর হাতে ক্যাচ দেন কার্তিক। এরপর গ্রিনফিল্ড স্টেডিয়ামের বাইশ গজে ঝড় তোলেন জগদীশন কৌশিক ও শাহরুখ খান। এই দুজনের ঝড়ে উড়ে যান মুকেশ কুমার, আকাশ দীপরা। শেষ ৭ ওভারে তামিলনাডু তোলে ৯৭ রান। ৩১ বলে ৫০ রান করেন কৌশিক। শাহরুখ ১২ বলে করেন ৩২। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৯৫ রান তোলে তামিলনাডু। মুকেশ কুমার ৭১ রানে ও আকাশ দীপ ৬৪ রানে ৩টি করে উইকেট নেন। সামনে বড় রানের লক্ষ্য দেখে চাপে পড়ে যায় বাংলা। তার ওপর দ্বিতীয় ওভারেই ধাক্কা খায়। রঘুপতি সিলাম্বরসনের বলে আউট হন শ্রীবৎস গোস্বামী (১)। অভিষেক দাস ও তিন নম্বরে নামা ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি বাংলাকে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। ১১.২ ওবারে আউট হন অভিষেক (৩০)। পরের ওভারেই ফেরেন ঋত্ত্বিক (১৬)। এরপর নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পড়তে থাকায় আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি বাংলা। সুদীপ চ্যাটার্জি (১৫), কাইফ আমেদ (১০), ঋত্ত্বিক রায় চৌধুরি (১২), শাহবাজ আমেদরা (৫) ব্যর্থ। সুমন্ত গুপ্ত (২৫) ও প্রদীপ্ত প্রামানিক (২৮) কিছুটা লড়াই করেন। ৩৯.১ ওভারে ১৪৯ রাননে গুটিয়ে যায় বাংলার ইনিংস। রঘুপতি সিলাম্বরসন ২৮ রানে ৪ উইকেট নেন। ৩ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট পেয়ে গ্রুপ শীর্ষে তামিলনাডু। ৩ ম্যাচে কর্ণাটকের পয়েন্ট ৮, বাংলার ৪। বাংলাকে পরের দুটি ম্যাচে খেলতে হবে মুম্বই ও কর্ণাটকের বিরুদ্ধে।

ডিসেম্বর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Vijoy Hazare Trophy: ‌‌পুদুচেরীর বিরুদ্ধে সহজ ম্যাচে বাংলার পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়াল বৃষ্টি

বিজয় হাজারে ট্রফির প্রথম ম্যাচেই শক্তিশালী বরোদার বিরুদ্ধে দুর্দান্ত জয়। বাংলা শিবিরের আশা ছিল দ্বিতীয় ম্যাচে পুদুচেরীকে হারিয়ে লিগ টেবিলে এগিয়ে যাওয়া। স্বপ্নপূরণ হল না সুদীপ চ্যাটার্জির। বাংলার পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়াল বৃষ্টি। বড় রান তুলেও জয় অধরা থেকে গেল। বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে ডাকওয়ার্থ ও লুইস পদ্ধতিতে বাংলার পরাজয় ৮ রানে। বরোদার বিরুদ্ধে বাংলার ম্যাচ ছিল গ্রীনফিল্ড স্টেডিয়ামে। এদিন পুদুচেরী ম্যাচ ছিল মঙ্গলাপূরমে। উইকেট একেবারে অজানা। কেমন আচরণ করবে সে সম্পর্কে কোনও ধারণা ছিল না বাংলা শিবিরের কাছে। তাই টস জিতে ঝুঁকি নেননি বাংলার অধিনায়ক সুদীপ চ্যাটার্জি। প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন। প্রথম ম্যাচে রান পাওয়া অভিষেক দাস এদিন ব্যর্থ। মাত্র ৮ রান করে তিনি আউট হন। কাইফ আমেদও (০) এদিন রান পাননি। শ্রীবৎস গোস্বামী (৪৫) অবশ্য প্রথম ম্যাচের ব্যর্থতা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ালেন। একের পর এক উইকেট পড়লেও তিনি একপ্রান্ত ধরে রেখেছিলেন। সুদীপ চ্যাটার্জি (২৭), ঋত্ত্বিক রায় চৌধুরিরা (৩২) দ্রুত ফিরে যান। একসময় ১১৮ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল বাংলা। সেখান থেকে শাহবাজ আমেদের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে টেনে নিয়ে যান সুমন্ত গুপ্ত (২২)। শেষদিকে ঝড় তোলেন শাহবাজ। ৮টি চার এবং ৪টি ছয়ের সাহায্যে তিনি ৬০ বলে ৮৫ রান করে অপরাজিত থাকেন। তাঁর দাপটে ৫০ ওভারে ২৬৪/৮ রানে পৌঁছে যায় বাংলা। বড় ইনিংস গড়লেও ভাগ্য এদিন বাংলার সহায় ছিল না। তৃতীয় ওভারেই পুদুচেরীর প্রথম উইকেট তুলে নেন মুকেশ কুমার। ফেরান অধিনায়ক দামোদরন রোহিতকে (০)। একাদশতম ওভারে অপর ওপেনার রামচন্দ্রন রঘুপতিকে (১৫) তুলে নেন শাহবাজ আআমেদ। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান পবন দেশপান্ডে (অপরাজিত ৬২) ও পরশ ডোগরা (অপরাজিত ৪১)। ৩০ ওভার খেলা হওয়ার পর বৃষ্টি নামে। তখন পুদুচেরীর রান ছিল ২ উইকেটে ১৩২। পরে বৃষ্টি থামলেও মাঠ ভেজা থাকায় আর খেলা শুরু করা যায়নি। সেই সময় ডাকওয়ার্থ ও লুইস নিয়মে পুদুচেরীর সামনে জয়ের জন্য লক্ষ্য দাঁড়ায় ৩০ ওভারে ১২৫। ৮ রানে ম্যাচ জিতে যায় পুদুচেরী।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Vijoy Bazare Trophy : ‌বরোদাকে ২৮ রানে হারিয়ে বিজয় হাজারে ট্রফি অভিযান শুরু করল বাংলা

সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০ প্রতিযোগিতার ব্যর্থতা কাটিয়ে বিজয় হাজারে ট্রফিতে দারুণ শুরু করল বাংলা। প্রথম ম্যাচে বরোদাকে হারাল ২৮ রানে। বাংলার জয়ে মুখ্য ভুমিকা নিলেন বোলাররা। ত্রিবান্দ্রমের গ্রিনফিল্ড স্টেডিয়ামে টস জিতে বাংলাকে ব্যাট করতে পাঠান বরোদা অধিনায়ক কেদার দেবধর। শুরুটা ভাল হয়নি বাংলার। প্রথম ওভারেই মেরিওয়ালার বলে লেগ বিফোর হন শ্রীবৎস গোস্বামী (০)। স্কোর বোর্ডে কোনও রান ওঠার আগেই শ্রীবৎস ফিরে যাওয়ায় সতর্কভাবে ব্যাট করতে থাকেন অন্য ওপেনার অভিষেক দাস ও তিন নম্বরে নামা অধিনায়ক সুদীপ চ্যাটার্জি। ১২.৫ ওভারে ৫০ রান পূর্ণ হয় বাংলার। এরপর আবার ধাক্কা বাংলা শিবিরে। ১৫ নম্বর ওভারের শেষ বলে অতীত শেঠের বলে ভার্গব ভাটের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন সুদীপ চ্যাটার্জি। ৪০ বলে তিনি করেন ১৪। এরপর বাংলাকে টেনে নিয়ে যান অভিষেক দাস ও কাইফ আমেদ। ৯০ বলে ৬২ রান রান করে ক্রূণাল পান্ডিয়ার বলে প্রত্যুষ কুমারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন অভিষেক। বাংলার রান তখন ৩০.৫ ওভারে ১১৫। সুমন্ত গুপ্ত (১৬) বড় রান পাননি।মিডল অর্ডারে ঝড় তোলেন ঋত্ত্বিক রায় চৌধুরি। ৩৬ বলে ৪৮ রান করে তিনি আউট হন। লোয়ার অর্ডারের ব্যর্থতায় বড় ইনিংস গড়তে পারেনি বাংলা। ৪৯.৪ ওভারে ২৩০ রানে গুটিয়ে যায় বাংলার ইনিংস। শাহবাজ আমেদ (৫), ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি (২), আকাশ দীপ (০), গীত পুরিরা (০) রান পাননি। বরোদার হয়ে অতীত শেঠ ৬২ রানে ৪টি ও লুকমান মেরিওয়ালা ৩৩ রানে ৩ উইকেট নেন। ক্রূণাল পান্ডিয়া ৩৪ রানে ২ উইকেট পান।জয়ের জন্য ২৩১ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে বরোদাও শুরুতে ধাক্কা খায়। দ্বিতীয় ওভারেই ফিরে যান শ্বাশত রাওয়াত (০)। আকাশ দীপের বলে তিনি উইকেটের পেছনে শ্রীবৎসর হাতে ক্যাচ দেন। এরপর কেদার দেবধর ও প্রত্যুষ কুমার বরোদাকে টেনে নিয়ে যান। দুজনে মিলে জুটিতে তোলেন ৭৪। কেদারকে (৩৫) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি। ১ ওভার পরেই ফেরান প্রত্যুষকে (৩৮)। বিষ্ণু সোলাঙ্কি (১০) রান আউট হতেই রান তোলার গতি কমে যায় বরোদার। একসময় ১১৭ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল বরোদা। ক্রূণাল পান্ডিয়া ও কার্তিক কাকাদে দলকে ম্যাচে ফেরান। এই জুটি বরোদাকে জয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছিল। কাকাদেকে (২৮) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন মুকেশ কুমার। পরের ওভারেই ক্রূণাল পান্ডিয়াকে ফেরান (৩৯) শাহবাজ আমেদ। তখনই জয়ের আশা শেষ হয়ে যায় বরোদার। ৪৮.২ ওভারে ২০৩ রানে গুটিয়ে যায় বরোদার ইনিংস। বাংলার হয়ে আকাশ দীপ ৩৯ রানে ৩টি, মুকেশ কুমার ৪১ রানে ২টি, ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি ৩২ রানে ২টি ও শাহবাজ আমেদ ৪৮ রানে ২টি উইকেট নেন।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Vijoy Hazare Trophy: ‌হতাশা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে পারবে বাংলা?‌ বিজয় হাজারেতে সামনে বরোদা

সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০ প্রতিযোগিতা ঘিরে স্বপ্ন দেখেছিল বাংলা। ভাল পারফরমেন্স আশা করেছিল টিম ম্যানেজমেন্ট। গ্রুপ লিগে দুর্দান্ত পারফরমেন্স করে শীর্ষে থেকে পৌঁছে গিয়েছিল নক আউটে। কিন্তু কোয়ার্টার ফাইনালে শেষরক্ষা হয়নি। দুর্দান্ত লড়াই করেও কর্ণাটকের কাছে হেরে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল বাংলাকে। সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০ প্রতিযোগিতায় ব্যর্থতার আক্ষেপ রয়েছে। তবে হতাশা কাটিয়ে বিজয় হাজারে ট্রফিতে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া বাংলা। এলিট বি গ্রুপের প্রথম ম্যাচে বাংলার সামনে বরোদা। বিজয় হাজারে প্রতিযোগিতার দল গঠনে তারুণ্যের পাশাপাশি অভিজ্ঞতার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে বাংলা। দলে ফেরানো হয়েছে সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০ প্রতিযোগিতায় সুযোগ না পাওয়া অনুষ্টুপ মজুমদার, শ্রীবৎস গোস্বামীদের। যদিও ঋদ্ধিমান সাহার না থাকাটা বাংলার কাছে বড় ধাক্কা। বরোদার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে মাঠে নামার আগে অনুষ্টুপ মজুমদার, শ্রীবৎস গোস্বামী, সুদীপ চ্যাটার্জিদের অভিজ্ঞতার ওপর ভরসা করেছেন বাংলার হেড কোচ অরুণলাল। বরোদার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন পর আমরা এই ফরম্যাটে খেলতে নামছি। ভাল প্রস্তুতি হয়েছে। দলেও দারুণ ভারসাম্য রয়েছে। তরুণদের পাশাপাশি অনুষ্টুপ, সুদীপ, শ্রীবৎসদের মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটাররা রয়েছে। ওদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগবে। সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফিতে শ্রীবৎস গোস্বামী, অনুষ্টুপ মজুমদারের মতো অভিজ্ঞদের বাইরে রেখেই দল গড়েছিল বাংলা। অভিজ্ঞতার অভাবে বাংলাকে ডুবতে হয়েছিল। সৈয়দ মুস্তাক আলির ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে আবার অনুষ্টুপদের ফেরানো হয়েছে। মাঠে নিয়েও চিন্তা রয়েছে বাংলা শিবিরে। ত্রিবান্দমের গ্রিনফিল্ড স্টেডিয়ামে বরোদার বিরুদ্ধে খেলতে নামবে বাংলা। দীর্ঘদিন এই স্টেডিয়ামে কোনও ম্যাচ হয়নি। ফলে স্টেডিয়ামের বাইশ গজ কেমন আচরণ করবে, সে ব্যাপারে কোনও ধারণা নেই বাংলা শিবিরের। অরুণলাল বাইশ গজ সম্পর্কে বলেন, দীর্ঘদিন এই মাঠে খেলা হয়নি। উইকেট কেমন হবে তা বুজতে পারছি না। দেখে ভাল মনে হয়েছে। তবে কেমন আচরণ করবে সেটাই দেখার।দীর্ঘদিন পর ৫০ ওভারের ম্যাচ খেলতে নামলেও চিন্তিত নয় বাংলা শিবির। সহকারী কোচ সৌরাশিস লাহিড়ী বলেন, দলের সব ক্রিকেটার দারুণ ফোকাসড। আমরা ত্রিবান্দ্রমে আসার আগে ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে ৫টা প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছি। দল দারুণ তৈরি। ভাল প্রস্তুতির জন্য ম্যাচ প্র্যাকটিসের কোনও বিকল্প হয় না। বরোদাকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন সৌরাশিস। তিনি বলেন, হার্দিক পান্ডিয়া না থাকলেও বরোদা যথেষ্ট শক্তিশালী দল। ক্রূণাল পান্ডিয়াসহ আরও ভাল ভাল ক্রিকেটার রয়েছে। আশা করছি ভাল লড়াই হবে।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২১

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

প্যারিসে বাম ঝড়! দক্ষিণপন্থীদের উড়িয়ে বিপুল জয়ে নতুন ইতিহাস

ফ্রান্সের পুরসভা নির্বাচনে বামপন্থীদের বড় জয় সামনে এল। রাজধানী প্যারিসে ডানপন্থীদের হারিয়ে আবারও জয় পেল বাম শিবির। প্যারিসের মেয়র নির্বাচনে সোশালিস্ট দলের নেতা এমানুয়েল গ্রেগোয়ার বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। তিনি প্রায় একান্ন থেকে তিপ্পান্ন শতাংশ ভোট পেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী রাশিদা দাতিকে হারিয়েছেন।শুধু প্যারিস নয়, ফ্রান্সের একাধিক বড় শহরেও বামপন্থীদের ভালো ফল দেখা গিয়েছে। এই নির্বাচনে ডানপন্থীদের হারাতে বাম দলগুলি একজোট হয়ে লড়াই করে। ফল ঘোষণার আগেই বুথফেরত সমীক্ষায় বামেদের এগিয়ে থাকার ইঙ্গিত মিলেছিল। শেষ পর্যন্ত সেই পূর্বাভাসই সত্যি হয়েছে।ফ্রান্সের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মার্সেইতেও বামেদের জয় প্রায় নিশ্চিত। সেখানে সোশালিস্ট মেয়র বেনেই পায়ান প্রায় পঁয়ষট্টি শতাংশ ভোট পেয়ে ফের নির্বাচিত হওয়ার পথে। জয় নিশ্চিত হওয়ার পর সোশালিস্ট দলের নেতৃত্ব জানায়, এই ফল প্রমাণ করে মানুষ উগ্র ডানপন্থী রাজনীতিকে প্রত্যাখ্যান করেছে। তাঁদের দাবি, বামপন্থীরাই দেশের উন্নয়নের সঠিক পথ দেখাতে পারে।এছাড়াও লিও এবং লিল শহরেও বামেরা নিজেদের ক্ষমতা ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। সবমিলিয়ে দেশের বড় শহরগুলিতে বামেদের দাপট স্পষ্ট। বিশেষ করে প্যারিসের জয় আলাদা করে নজর কাড়ছে। সোশালিস্ট, গ্রিন, কমিউনিস্ট সহ একাধিক বামপন্থী দলের জোট এই জয় নিশ্চিত করেছে।তবে সব জায়গায় একই চিত্র দেখা যায়নি। নিস শহরে ডানপন্থী নেতা এরিক চিত্তত্তি জয় পেয়েছেন। এছাড়া উগ্র ডানপন্থী দল জাতীয় র্যালি বড় শহরে জয় পায়নি ঠিকই, তবে ছোট কিছু পুরসভায় তারা কিছুটা সাফল্য পেয়েছে।এই নির্বাচনের ফল ফ্রান্সের ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে আগামী রাষ্ট্রপতি এবং সংসদ নির্বাচনে এই ফলের প্রতিফলন দেখা যেতে পারে।

মার্চ ২৪, ২০২৬
দেশ

নতুন বিলে বদলে যাবে পরিচয়! রূপান্তরকামীদের জন্য কড়া নিয়মে দেশজুড়ে তুমুল বিতর্ক

লোকসভায় শীঘ্রই পেশ হতে চলেছে রূপান্তরকামী ব্যক্তি অধিকার সুরক্ষা সংশোধনী বিল। এই বিল পাশ হলে কোনও ব্যক্তি আর নিজের ইচ্ছেমতো নিজেকে রূপান্তরকামী হিসেবে ঘোষণা করতে পারবেন না। এর জন্য নির্দিষ্ট চিকিৎসা প্রক্রিয়ার পর মেডিক্যাল শংসাপত্র জমা দিতে হবে।বিল সামনে আসতেই দেশজুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। একদিকে কেন্দ্রের সমাজকল্যাণ মন্ত্রকের দাবি, রূপান্তরকামীদের সঠিক সংজ্ঞা না থাকায় অনেক ভুয়ো দাবি সামনে আসছে। এর ফলে প্রকৃত রূপান্তরকামী ব্যক্তিরা সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাই এই সংশোধন প্রয়োজন বলে মনে করছে সরকার।অন্যদিকে রূপান্তরকামীদের সংগঠনগুলির অভিযোগ, এই বিল তাদের অধিকার খর্ব করবে। তাঁদের মতে, এই নিয়ম চালু হলে নিজের পরিচয় নির্ধারণের স্বাধীনতা কমে যাবে। অনেক সংগঠনই বলছে, এতে লিঙ্গ পরিচয়ের বিষয়টি সহজ হওয়ার বদলে আরও জটিল হয়ে উঠবে।এই বিলের প্রতিবাদে ইতিমধ্যেই দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, এই আইন কার্যকর হলে রূপান্তরকামী মানুষের স্বাধীনতা এবং অধিকার আরও সংকুচিত হবে।বাংলাতেও এই ইস্যুতে প্রতিবাদের ছবি সামনে এসেছে। আলিপুরদুয়ারের বীরপাড়ায় প্রায় পঞ্চাশজন রূপান্তরকামী অধিকারকর্মী পথে নেমে বিক্ষোভ দেখান। তাঁরা এই প্রস্তাবিত বিলের কপি পুড়িয়ে প্রতিবাদ জানান। দীর্ঘ সময় ধরে চলে এই আন্দোলন।আন্দোলনকারীদের দাবি, সরকারকে এই বিল নতুন করে ভাবতে হবে এবং প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে হবে, যাতে রূপান্তরকামীদের অধিকার সুরক্ষিত থাকে।সব মিলিয়ে সংসদে বিল পেশ হওয়ার আগেই বিষয়টি নিয়ে দেশজুড়ে উত্তেজনা এবং উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

মার্চ ২৪, ২০২৬
কলকাতা

গড়িয়ায় চাঞ্চল্য! বিউটিপার্লারে ঢুকে নৃশংস খুন, তারপরই যুবকের রহস্যমৃত্যু

ভোটের আবহের মধ্যেই কলকাতা সংলগ্ন গড়িয়ার মহামায়াতলায় চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এল। একটি বিউটিপার্লার থেকে উদ্ধার হল জোড়া দেহ। মৃতদের মধ্যে রয়েছেন এক মহিলা এবং এক যুবক। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্পর্কের টানাপোড়েনের জেরেই এই খুন এবং আত্মহত্যার ঘটনা ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে।মৃত মহিলার নাম রূপবানি দাস, বয়স প্রায় পঞ্চাশ বছর। তিনি মহামায়াতলা এলাকায় একটি বিউটিপার্লার চালাতেন। মঙ্গলবার দুপুরে এক যুবক পার্লারে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে এলোপাথাড়ি কোপাতে শুরু করে বলে অভিযোগ। গুরুতর জখম অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। এই দৃশ্য দেখে আশেপাশের দোকানদারেরা আতঙ্কে সেখান থেকে সরে যান।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। রক্তাক্ত অবস্থায় মহিলাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরে একই পার্লারের ভিতর থেকেই ওই যুবকের দেহ উদ্ধার হয়। জানা গিয়েছে, যুবক কাশ্মীরের বাসিন্দা। তবে এখনও তার সম্পূর্ণ পরিচয় জানা যায়নি।পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, ব্যক্তিগত সম্পর্কের সমস্যার জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে। মহিলাকে খুন করার পর যুবক আত্মঘাতী হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই দুই দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে। ভরদুপুরে এমন নৃশংস ঘটনা ঘটায় স্থানীয়দের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ভোটের আগে এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এই ঘটনা ঘটল, তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।

মার্চ ২৪, ২০২৬
রাজ্য

মহিলা সংরক্ষণে বড় বদল! জনগণনা বাদ দিয়ে নতুন চাল কেন্দ্রের, বাড়তে পারে লোকসভা আসন

সংসদে শীঘ্রই মহিলা সংরক্ষণ বিলের সংশোধনী আনতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা ভোটের আগে এই সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। আগে বলা হয়েছিল, জনগণনার ভিত্তিতে আসন পুনর্বিন্যাস করে মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করা হবে। কিন্তু এখন সেই অবস্থান থেকে সরে এসে কেন্দ্র নতুন পথ বেছে নিতে চাইছে।সূত্রের খবর, চলতি সপ্তাহেই সংসদে দুটি সংবিধান সংশোধনী বিল আনা হতে পারে। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০১১ সালের জনগণনার ভিত্তিতেই আসন পুনর্বিন্যাস করা হবে। আগে যেখানে নতুন জনগণনার পর এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল, সেখানে এখন সেই ধাপ বাদ দেওয়া হচ্ছে বলেই জানা যাচ্ছে। ফলে দ্রুত মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করার পথে এগোতে চাইছে কেন্দ্র।এই সংশোধনী কার্যকর হলে লোকসভায় আসনের সংখ্যাও অনেকটাই বাড়তে পারে। বর্তমানে যেখানে লোকসভার আসন সংখ্যা ৫৪৩, সেখানে তা বেড়ে প্রায় ৮১৬ হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গেও আসন সংখ্যা ৪২ থেকে বেড়ে ৬৩ হতে পারে। ফলে রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।তবে এই বিল পাশ করাতে সংসদে দুই তৃতীয়াংশ সমর্থন প্রয়োজন। তাই বিরোধীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বিভিন্ন আঞ্চলিক দলের সঙ্গে বৈঠক শুরু করেছে। যদিও সব দল এই প্রস্তাবে সমর্থন দেবে কি না, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে।এই পরিস্থিতিতে মহিলা সংরক্ষণ বিলের সংশোধনী নিয়ে দেশের রাজনীতিতে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে দ্রুত সংরক্ষণ কার্যকর হবে, নাকি আরও বিতর্ক বাড়বেতা এখন দেখার।

মার্চ ২৪, ২০২৬
কলকাতা

কমিশনের লেটারহেডে বিজেপির ছাপ? বিস্ফোরক অভিযোগ মমতার, চাঞ্চল্য রাজ্য রাজনীতিতে

বিধানসভা ভোটের আগে আবারও নির্বাচন কমিশনকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরবঙ্গে প্রচারে যাওয়ার আগে কলকাতা বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে তিনি কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে বড় প্রশ্ন তোলেন।মমতার অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের লেটারহেডেই নাকি বিজেপির প্রতীক দেখা যাচ্ছে। তাঁর কথায়, কমিশন নিরপেক্ষভাবে কাজ করছে না। এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।তিনি আরও বলেন, যদি কোনও ভুল হয়ে থাকে, তাহলে সেটাকে শুধু কাগুজে ভুল বলে এড়িয়ে যাওয়া যায় না। এটি ইচ্ছাকৃতভাবে করা হয়েছে কিনা, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি সব রাজনৈতিক দলকে একজোট হয়ে একদলীয় শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করার আহ্বান জানান।এছাড়াও প্রশাসনের বিভিন্ন পদে আইপিএস ও আইএএস অফিসারদের বদলি নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি গভীর রাতে অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর মতে, এই তালিকা এখনও পর্যন্ত কোনও বুথ, ব্লক বা জেলায় সঠিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, এই তালিকা নিয়ে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে এবং কয়েকজনের মৃত্যুর ঘটনাও সামনে এসেছে। তিনি বলেন, এই পরিস্থিতির জন্য কমিশনেরই দায় রয়েছে।এসআইআর নিয়ে আদালতে লড়াইয়ের কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, আদালতে যাওয়ার কারণেই কিছু নাম তালিকায় উঠেছে। কিন্তু এখনও তালিকা প্রকাশ নিয়ে কমিশন কেন এত দেরি করছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর মতে, স্বচ্ছতা থাকলে এত দেরি হওয়ার কথা নয়।সব মিলিয়ে ভোটের আগে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

মার্চ ২৪, ২০২৬
কলকাতা

মধ্যরাতে ভোটার তালিকা কেন? বিস্ফোরক অভিযোগে সরব মমতা, রাজনৈতিক চক্রান্তের ইঙ্গিত

উত্তরবঙ্গ সফরে যাওয়ার আগে কলকাতা বিমানবন্দর থেকে অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি প্রশ্ন তুললেন, কেন গভীর রাতে এই তালিকা প্রকাশ করা হল এবং এর পিছনে রাজনৈতিক চক্রান্ত রয়েছে বলেও দাবি করলেন।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যাঁদের নাম তালিকায় উঠেছে, তা তাঁর সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার ফলেই সম্ভব হয়েছে। অন্যথায় আরও অনেক মানুষের নাম বাদ পড়ে যেত বলেও তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর বিরোধিতা করে আসছেন। তাঁর দাবি, ভোটের ঠিক আগে এই প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে পরিকল্পনা করে। তিনি বারবার জাতীয় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি লিখেছেন এবং দিল্লিতে গিয়েও বিষয়টি তুলে ধরেছেন। পাশাপাশি এই নিয়ে সুপ্রিম কোর্টেও মামলা করেছেন তিনি।গত আটাশ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করে কমিশন। সেখানে প্রায় ষাট লক্ষ নাম বিচারাধীন ছিল। পরে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সোমবার গভীর রাতে অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়। যদিও সেই তালিকার বিস্তারিত তথ্য এখনও স্পষ্ট নয়, তবে জানা যাচ্ছে প্রায় আটাশ লক্ষ নামের নিষ্পত্তি হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তুলেছেন, কেন তালিকা এখনও বুথ, ব্লক বা জেলার নির্দিষ্ট জায়গায় প্রকাশ করা হয়নি। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রের নির্দেশেই নির্বাচন কমিশন কাজ করছে।সব মিলিয়ে ভোটের আগে ভোটার তালিকা প্রকাশকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে রাজ্যে।

মার্চ ২৪, ২০২৬
দেশ

ট্রাম্পের ঘোষণায় চাঙ্গা বাজার! কিন্তু ঘণ্টা খানেকেই ধাক্কা, আতঙ্কে বিনিয়োগকারীরা

মঙ্গলবার সকালে বাজার খুলতেই হঠাৎ করেই চাঙ্গা হয়ে ওঠে শেয়ার বাজার। সেনসেক্স ও নিফটি দুটিই দ্রুত উপরের দিকে উঠতে শুরু করে। একই সঙ্গে টাকার দামও কিছুটা শক্তিশালী হয় এবং সোনা ও রুপোর দাম কমে যায়। তবে এই উত্থান কতক্ষণ স্থায়ী হবে, তা নিয়ে শুরু থেকেই সংশয় তৈরি হয়।এই উত্থানের পিছনে রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্য। তিনি দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে এবং আগামী পাঁচ দিন ইরানের জ্বালানি পরিকাঠামোয় কোনও হামলা করা হবে না। এই ঘোষণার পরই বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ থামার আশা তৈরি হয় এবং তার প্রভাব পড়ে ভারতীয় বাজারেও।বাজার খুলতেই সেনসেক্স এক লাফে হাজার পয়েন্টেরও বেশি বেড়ে যায়। নিফটিতেও দেখা যায় উন্নতি। একই সময়ে টাকার দামও ডলারের তুলনায় প্রায় চৌত্রিশ পয়সা বেড়ে যায়। তেলের দাম কিছুটা কমে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়।কিন্তু এই খুশি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। বাজার খোলার অল্প সময়ের মধ্যেই সেনসেক্স প্রায় পাঁচশো পয়েন্ট পড়ে যায়। সূচক ঘোরাফেরা করতে থাকে তিয়াত্তর হাজার তিনশোর আশপাশে। এই ওঠানামা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই ঘোষণাকে ইতিমধ্যেই ইরান ভুয়ো বলে দাবি করেছে। সেই কারণেই বাজারে আবার অনিশ্চয়তা ফিরে এসেছে। যুদ্ধ যদি সত্যিই না থামে, তাহলে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।প্রায় চার সপ্তাহ ধরে চলা এই সংঘাত কবে শেষ হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তাই বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। বাজারে অস্থিরতা থাকলে লাভের আশা করাও কঠিন হয়ে পড়বে। ফলে সাময়িক উত্থান হলেও বাজারের ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে।

মার্চ ২৪, ২০২৬
দেশ

সুপ্রিম কোর্টে তুমুল তর্ক! বিচারপতির সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে কপিল সিব্বল, চাঞ্চল্যকর শুনানি

সুপ্রিম কোর্টে আইপ্যাক মামলার শুনানিতে হঠাৎই উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী কপিল সিব্বল এবং বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্রের মধ্যে তীব্র বাক্য বিনিময় ঘটে।মঙ্গলবার শুনানির সময় কপিল সিব্বল প্রশ্ন তোলেন, কীভাবে ইডি সংবিধানের বত্রিশ নম্বর অনুচ্ছেদের আওতায় মামলা করতে পারে। এই প্রশ্ন ঘিরেই আদালতে উত্তেজনা তৈরি হয়।শুনানির এক পর্যায়ে বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্র বলেন, অভিযোগ অনুযায়ী মুখ্যমন্ত্রী জোর করে তল্লাশির জায়গায় ঢুকে পড়েছিলেন। সেই প্রেক্ষিতে যদি অভিযোগ ওঠে, তাহলে সেই অভিযোগ নিয়ে রাজ্য প্রশাসনের কাছেই যেতে হবে, এবং সেখান থেকেই বিচার পাওয়ার আশা করতে হবে।বিচারপতির এই মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেন কপিল সিব্বল। তিনি বলেন, এটি কোনও প্রমাণিত সত্য নয়, এটি শুধুই অভিযোগ। বিচারপতি আগে থেকেই ধরে নিচ্ছেন যে মুখ্যমন্ত্রী অপরাধ করেছেনএমনটাই অভিযোগ তোলেন তিনি।এর জবাবে বিচারপতি মিশ্র জানান, আদালত কোনও কিছু ধরে নিচ্ছে না। তবে কোনও অভিযোগ সাধারণত কিছু প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতেই করা হয়। যদি সেই ভিত্তি না থাকে, তাহলে তদন্তের প্রয়োজনই পড়ে না। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, এই মামলায় সিবিআই তদন্তের দাবিও উঠেছে।এই ঘটনার জেরে সুপ্রিম কোর্টে শুনানির সময় উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। রাজনৈতিক মহলেও এই ঘটনা নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal